Voice of Eastern India

Kolkata News Update: হোম ডেলিভারির ব্যবসা, আয় মাত্র কয়েক হাজার, হঠাৎ অ্যাকাউন্টে ঢুকল প্রায় ৪৮ কোটি টাকা! অবাক বেলেঘাটার বাসিন্দা


কলকাতা: পেশা, খাবার হোম ডেলিভারি করা, তাতেই চলে সংসার। হঠাৎ ব্যালেন্স চেক করতে গিয়ে ধরা পড়ল, অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রায় ৪৮ কোটি টাকা! তাজ্জব বেলেঘাটার মহিলা, পড়েছেন মহা সমস্যায়! কারণ তিনি জানিয়েছেন, ৪৮ কোটি টাকা ঢোকার পর অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছে ব্যাঙ্ক। ব্যবসা চালানোর জন্য হাতে টাকা নেই, মহা সমস্যায় পড়েছেন, বেলেঘাটার নূপুর ঘোষ। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই অ্যাকাউন্টে তাঁর বিধবা ভাতার টাকা ঢোকে। সেই অ্যাকাউন্টই যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে খুবই সমস্যায় পড়বেন তিনি। সেই কারণেই এই বিপুল অঙ্কের টাকা অ্যাকাউন্টে থাকায় বিন্দুমাত্র খুশি নয়, বরং সমস্য়াতেই পড়েছেন বেলেঘাটার বাসিন্দা নূপুর। 

অ্যাকাউন্টে বিশাল ব্যালেন্স, কিন্তু বিপাকে পড়লেন মহিলা! সাহায্য করল না ব্যাঙ্ক ও!

বেলেঘাটার বাসিন্দা নূপুর ঘোষ জানিয়েছেন, অ্যাকাউন্টে এই বিপুল অঙ্কের টাকা ঢুকেছে, এই তথ্য পেয়েই ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। PNB-তে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাঁর, এই বিপুল অঙ্কের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার পরেই, ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তবে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে তেমন সাহায্য পাননি তিনি, এমনটাই অভিযোগ নূপুর ঘোষের। ব্যাঙ্কের তরফ থেকে কেবল জানানো হয়েছে, সাইবার প্রতারণার ফলেই এমনটা ঘটেছে। তবে নূপুর ঘোষ জানিয়েছেন, এই অ্যাকাউন্ট থেকেই তিনি টাকা ব্যবহার করেন ব্যবসার কাজে। সেই অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায়, সমস্যায় পড়েছেন তিনি। 

যাঁর মাসিক উপার্জন মাত্র কয়েক হাজার টাকা, তাঁরই অ্যাকাউন্টে এখন পড়ে রয়েছে ৪৮ কোটি টাকা! প্রথমে ব্যাঙ্কে গেলে, তাঁকে বিভ্রান্তিমূলক কথা জানায় ব্যাঙ্ক। বলা হয় যে, ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টের কাছে দীর্ঘদিন ধরে এই টাকা জমা ছিল। সেখান থেকেই রিটার্ন হিসেবে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এরপরে, ফেব্রুয়ারি মাসেই ফ্রিজ করে দেওয়া হয় তাঁর ওই পঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টটি। এই অ্যাকাউন্টটি থেকে দীর্ঘ এতগুলো মাস কোনও লেনদেন করতে পারছেন না নূপুর ঘোষ। পাশাপাশি, এই টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে কীভাবে এল, এখনও তাঁর অ্যাকাউন্টে সেই টাকা রয়েছে কি না.. তা নিয়ে ব্যাঙ্ককে কোনও তথ্যই দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই পুলিশের দায়িত্ব হয়েছেন নূপুর ঘোষ। 

নূপুর ঘোষ বলছেন, ‘আমি হোম ডেলিভারি করি। সেখানে হঠাৎ ব্যালেন্স চেক করতেই চমকে যাই। ফোন-পে দিয়ে আমার ব্যবসা চলে, দেখলাম সেটাও চলছে না। আমি ব্যাঙ্কে গিয়ে বলায় আমায় জানানো হয়, ইনকাম ট্যাক্সের তরফ থেকে অ্যাকাউন্টটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মাসের পর মাস ছুটোছুটি করেও কোনও সাহায্য পাইনি। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে চিঠি লিখে আবেদন করেছিলাম যে, ওই টাকাটা সরিয়ে নিয়ে, যা ব্যালেন্স ছিল সেটা আমায় ফেরত দেওয়া হোক আর অ্যাকাউন্টটা চালু করা হোক। কোনও লাভ হয়নি।’

 

আরও পড়ুন:RG Kar Case Update: অভয়ার পরিবারের আর্জিতে সাড়া, বদলে দেওয়া হল তদন্তকারী অফিসার

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.