Voice of Eastern India

Madan Mitra: ‘আমার উপর অত্যাচার করার হিম্মত অভিষেকের নেই’, ABP আনন্দের স্টুডিওতে বসে আর কোন চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মদন মিত্র ?


কলকাতাঃ ছোট্ট একটা শব্দ – SORRY… মমতা বন্দোপাধ্যায়ের থেকে দূরে সরে গেলেন মদন মিত্র। কামারহাটির দীর্ঘদিনের বিধায়ক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম। ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনের অবসান ঘটিয়ে, মহাকরণের চাবি হাতে পাওয়া মাত্রই, ক্রীড়া ও পরিবহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব মদন মিত্রকে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মদন মিত্র মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হাত ছাড়লেন বুধবার। শুধু তাই নয়, রীতিমতো নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললেন হিটলার এবং সন্ধ্যে বেলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে তুলনা করলেন। ABP আনন্দের স্টুডিওতে বসে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিলেন তিনি। 

কালীঘাট তৃণমূলের হাত ছাড়া থেকে দলীয় নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়েই মদন মিত্র বলেন, ‘আমি যদি বলি অত্যাচার করার জন্য হিম্মত লাগে। সেই মাজালটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। মদন মিত্রকে হিট করার মতো মাজাল এখনও এমন কোনও বাপের ব্যাটা তৈরি হয়নি এখানে। অভিষেকের নিজের পাড়ার লোকও সঙ্গে নেই। এখানে এই অনুষ্ঠানে বসে বলছি লিখে রাখবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার নাকি ল্যাগেজ ব্যাগেজ আছে তাই গেছি। জাস্ট ওয়েট, পাপ বাপকে ছাড়ে না। আমি পাপ করিনি। এখানে বসে বলছি। আমার ভয়েজ টেস্ট করুক। আমিও বিশ্বামিত্র গোত্রের ছেলে, ভস্মীভূত হয়ে যাবে। যে জায়গায় শুভেন্দু যাচ্ছে ভস্মীভূত হয়ে যাবে। সাদ্দামের মূর্তিও কিন্তু ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ইতিহাস ভুলে যাবে না। ওয়েট করুন সবে তো ভয়েজ স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে।’  

উল্লেখ্য, ইডি-সিবিআইয়ের তলব নিয়ে এর আগে ২০২৩ এর ২৯ মার্চ শহিদ মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মদন মিত্রকেই সাক্ষী রেখে বলেছিলেন, ‘সারদার টাকা থেকে আমার দিকে লক্ষ্য ছিল ইডি   সিবিআইয়ের। মদন মিত্র কুণাল ঘোষরা বসে আছেন। ওঁদের বলেছিল, অভিষেকের নাম নিন ছেড়ে দেব।’  

বুধবার ঋতব্রত তৃণমূলে যোগ দিয়ে মদন মিত্র বলেছিলেন, “ED-র থেকেও AB বেশি ভয়ঙ্কর। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের জন্য অনেক ব্যক্তি জেলে গেছে। মাল যে দিত, সে জেলে যেত না। অভিষেক নিজেই পুলিশ কমিশনার ছিল।’    

এ প্রসঙ্গেই এবিপি আনন্দের অনুষ্ঠানে এসে মদন মিত্র বলেন, ‘সেই সময় ওঁর দরকার ছিল আমাকে এই কথাটা বলার। পুলিশ কমিশনারও পুলিশ কমিশনার ছিল না। আমি এমন এক লোক সে সব জানে, বেশি মুখ খুলছি না। এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে পারমিশনের জন্য ৫ লাখ। বলত উঠিয়ে নিয়ে আয়, বদলে দে এসব নির্দেশ আসত। কার কাছে কত পিস্তল, কোথায় কত বন্দুক গুলি জমা আছে সবটাই তো জানে’।  

 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.