Rath Yatra-Shravani Mela: ঐতিহ্যবাহী রত্রযাত্রাগুলোকে আর্থিক সাহায্য়ের ভাবনা সরকারের, শ্রাবণী মেলার জন্যও ঢালাও পরিকল্পনা
কলকাতা: পরিকল্পনা করবেন কিন্তু কাজ হবে না এমনটা যেন না হয়। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রশাসনিক বৈঠকে প্রত্যেকটি দফতরকে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারী। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনাপ্রকাশ দেশাই আগামী ৪ সপ্তাহ ধরে খতিয়ে দেখবেন অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ২০২৬-এর খসড়া বিল। শ্রাবণী মেলা ও রথযাত্রা নিয়েও নেওয়া হয়েছে বড় সিদ্ধান্ত।
পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ২০২৬-এর খসড়া বিল পরীক্ষার জন্য কমিটি
OBC সংশোধনী নিয়ে ২টি, এবং গুন্ডা-দমন সংক্রান্ত বিল পাস হয়েছে বিধানসভায়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশের আগে, উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এবিষয়ে আলোচনা হয়। নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ২০২৬-এর খসড়া বিল পরীক্ষার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনাপ্রকাশ দেশাই আগামী চার সপ্তাহ ধরে এটি খতিয়ে দেখবেন এবং পরবর্তীতে এটি বিধানসভায় পেশ করা হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগের প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সরকারি দফতরগুলিকে খরচ কমানোর নির্দেশ দেন তিনি। নবান্ন সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিভিন্ন প্রকল্প যারা পাওয়ার যোগ্য নন তাঁদের বাদ দিতে হবে। তার ফলে যে খরচ কমবে সেই টাকায় অন্যান্য প্রকল্প চালাতে সুবিধা হবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, মহিলাদের জন্য ফ্রিতে সরকারি বাসে যাতায়াত সহ প্রকল্পগুলি চালাতে সুবিধা হবে। রাজস্ব কোনওভাবেই যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটার দিকে নজর দিতে হবে। বালি, পাথর থেকে রাজস্ব আদায়ে যেন কোনও ফাঁকি না থাকে়। অভিযোগ পেলে পদক্ষেপও হবে।
শ্রাবণী মেলা ও রথযাত্রা নিয়ে কী পরিকল্পনা সরকারের?
প্রত্যেকটি দফতরকে মডেল পরিকল্পনা করে সেই অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশ দেন মুখ্য়মন্ত্রী। হুগলির শ্রাবণী মেলা নিয়েও এদিন আলোচনা হয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। এবার বড় করে মেলার ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে। পানীয় জল, শৌচাগার, স্বাস্থ্য শিবির তৈরির পাশাপাশি, ঘাট সাজানো হচ্ছে। চন্দননগরের আলো দিয়ে সাজানো হবে মেলা। হবে লাইভ টেলিকাস্ট। পাশাপাশি, পুরনো রথযাত্রা কমিটিগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে সরকারের তরফে। এদিন অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘PWD-র তরফ থেকে ঘাটগুলো যেভাবে সাজানো হচ্ছে, আপনারা নিজেরাই দেখবেন। তারকেশ্বর মিউনিসিপ্যালিটি থেকে করা হচ্ছে। বিভিন্ন বাস ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টগুলোকে সাজানো হবে। চন্দননগরের আলো দিয়ে রাস্তা সাজানো হবে। রাস্তায় যাঁরা ভক্তবৃন্দ যান, অতিরিক্ত গরম থাকায় তাঁদের কষ্ট হয়। আমরা ঠিক করেছি, জায়গায় জায়গায় জুটের কার্পেট পেতে দেব। তাতে জল ঢেলে দেওয়া হবে যাতে ছ্যাঁকা না লাগে।’ পাশাপাশি, পুরনো ঐতিহ্যবাহী রত্রযাত্রা গুলোকে আর্থিক সাহায্য়ের ভাবনা রাজ্য সরকারের। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানালেন পুরমন্ত্রী। একই সঙ্গে এবার শ্রাবাণী মেলার জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার।
Liver Foundation | ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করল লিভার ফাউন্ডেশন ওয়েস্ট বেঙ্গল
