Voice of Eastern India

Suvendu Adhikari: ‘জেল থেকে বের করে তাঁকে জমিও দেব, বাড়িও দেব’, কারা পাবেন এই সুবিধা ? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর


কলকাতা: রাজ্যে ঘটেছে পালা বদল। আর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরনগরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। মতুয়া-গড়ে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী। CAA ইস্যু নিয়ে সরাসরি পূর্বতন সরকারকে নিশানা করলেন তিনি। পাশাপাশি,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলাদেশি সন্দেহে পুলিশ যদি কাউকে জেলে আটকে রাখে তাঁদের মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে CAA ইস্যুতে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল আমলে একাধিকবার নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরোধিতা করতে শোনা গেছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে। এমনকী মতুয়াদের নাগরিকত্ব ইস্যুকে হাতিয়ার করে আক্রমণও শানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, ”নির্বাচন আসলেই তখন মনে পড়ে ক্যা ক্যা ক্যা ক্যা, ক্যা নিয়ে আপনাদের মধ্যে বিভ্রান্তি করে। আর নির্বাচন আসলেই মাথায় NRC ঢোকে। আর নির্বাচন আসলেই মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করে। NRC করতে দেব না। ক্য়া ক্য়া-ও করতে দেব না।”

আরও পড়ুন – ‘গ্রুপ-ডি’ পদে চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, আবেদনের যোগ্য কারা ? কারা পাবেন না সুযোগ ?

উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর-সহ যে পাঁচটি বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার মতুয়া, ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে তার মধ্যে চারটিতে জিতেছে বিজেপি। পাশের জেলা নদিয়ার অন্তত যে সাতটি বিধানসভায় নির্নায়ক ভূমিকা নেন মতুয়ারা, সেখানে সব কটি আসনেই জিতেছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবার ঠাকুরনগরে গিয়ে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই পাল্টা আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা করছিল বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ”আজকে আপনাদের সঙ্গে অন্যায় করেছিল বলে, আজকে ঠাকুর দেখুন তাঁকে আজকে গণতান্ত্রিকভাবে সরিয়ে দিয়েছে। এই সরকার আপনাদের সরকার। ৭০টা এমন বিধানসভা কেন্দ্র আছে যেখানে মতুয়ারা আমাদের নির্বাচিত করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন।” 

গ্রেটার বাংলাদেশ প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন যে, ”একটা জায়গায় আমার সঙ্গে সম্মানীয় মঞজুলকৃষ্ণ ঠাকুরের মিল রয়েছে। তিনি আগে যে কাজটা করেছেন… মমতা ব্যানার্জির মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে, একই কাজ ২০২০ সালে আমি করে বেরিয়ে এসেছিলাম। আমরা দু’জনেই বুঝেছিলাম, এই রাজ্যে যদি আমরা এদেরকে না সরাতে পারি, তাহলে এটা গ্রেটার বাংলাদেশ হতে চলেছে। তাই তিনি যা করেছিলেন, তাঁর পথ আমি অনুসরণ করেছি।”

পাশাপাশি এদিন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতিশ্রুতি দেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে পুলিশ যদি কোনও হিন্দু শরণার্থীকে বাংলাদেশি সন্দেহে জেলে আটকে রেখে থাকে তাঁদের মুক্তি দেবে তাঁর সরকার। তিনি বলেন, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ অমিত শাহজি একটা অর্ডার বের করেছেন। তাতে তিনি বলেছেন ৩১.১২.২০২৪ পর্যন্ত যাঁরা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের কোনও পুলিশ স্পর্শ করবে না। বনগাঁ, বারাসাত, রানাঘাট-সহ যদি কোনও জেলে আমার মতুয়া অথবা শরণার্থীরা বিনা বিচারে বিগত তৃণমূল সরকারের অত্যাচারে জেলের মধ্যে থেকে থাকেন, আপনারা আমাকে খবর দেবেন, আমি সবাইকে সসম্মানে জেল থেকে বের করে তাঁকে জমিও দেব আর বাড়িও দেব।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.