<p>তৃণমূল কংগ্রেসের বহু নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে বারবার সরব হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর এ ধরনের কোনও কাজকর্মে বিজেপি যে ‘জিরো টলারেন্স’ দেখাবে তা বারবার কথাবার্তায় বুঝিয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেইমতোই এবার পদক্ষেপ গ্রহণ। ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যে পরপর তোলাবাজির অভিযোগ ওঠায় এবার কড়া সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে ২২ জন কর্মীকে সাসপেন্ড করল গেরুয়া শিবির।</p>
<p>অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রায় ‘না’। চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রায় অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। খারজি করা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা। ‘একাধিক মামলা বিচারাধীন, সেই কারণে বিদেশযাত্রার অনুমতি এই মুহূর্তে দেওয়া যাবে না।’ দেশেই চিকিৎসার পরামর্শ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর। ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রায় ১৬ টি মামলা আছে।’ সেখানে যদি কালকে নোটিস পাঠিয়ে হাজিরা দিতে বলে, তখন কী করবেন ? অভিষেকের আইনজীবীকে প্রশ্ন বিচারপতি ভট্টাচার্যর। আমরা সীমিত সময়ের জন্য অনুমতি চেয়েছি, ৩-৪ সপ্তাহের জন্যই আমরা অনুমতি চাইছি, সওয়াল অভিষেকের আইনজীবীর। আগের পর্যায়ের চিকিৎসা বাইরে হয়েছে তাই এখন এখানে চিকিৎসা করাব না, জানালেন অভিষেকের আইনজীবী। ‘SSKM হাসপাতালকে নির্দেশ দেব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার জন্য। কাল দুপুর ২ টোয় SSKM হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি দেখান। আগামী পরশু SSKM হাসপাতাল এই আদালতে তাদের রিপোর্ট পেশ করবে।’ সেই পরামর্শ মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ করা যাবে, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানালেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। ‘এই মুহূর্তে চিকিৎসাটাই সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোথায় চিকিৎসা হচ্ছে সেটা বিষয় নয়ট, মন্তব্য বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর। আগে যেখানে চিকিৎসা করিয়েছি সেখানেই যেতে চাই। SSKM হাসপাতালে আমি যাব না, জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। SSKM যদি দেশের অন্য কোনও হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয় আপনি সেখানে যেতে পারেন, মন্তব্য বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর।</p>
<p>বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের শ্বশুরবাড়িতে রাজ্য পুলিশের STF, বম্ব স্কোয়াড। সন্দেহজনক ব্যাগ থাকার অভিযোগ, জেলা পুলিশকে খবর দেয় রাজ্য পুলিশের STF। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে টুলুর অন্যান্য আত্মীয়দের বাড়িতেও চালানো হয় তল্লাশি। টুলুর আরও বিপুল সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে, দাবি পুলিশের। ধৃত মিনার মণ্ডল ও টুলুর ২ ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকাশ্যে একাধিক তথ্য, দাবি পুলিশের। এর আগে টুলু মণ্ডলের ধৃত দ্বিতীয় ম্যানেজার নইমুদ্দিন মণ্ডলের ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।</p>
Source link
