কলকাতা : দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার। গ্রেফতার হচ্ছেন একের পর এক তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, বিধায়ক থেকে কাউন্সিলররা। এবার এই তালিকায় নাম লেখালেন বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী। তদন্তের জন্য, দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে পুলিশি হানায় উদ্ধার হয়েছিল তাঁর মোবাইল ফোন। আর এই মোবাইল থেকে বেশ কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ডিলিট হয়ে গিয়েছে বলেছে খবর। ডিলিট হওয়া চ্যাট পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে সাহায্য নেওয়া হবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের বলেও সূত্রের খবর।
বুধবার পুরুলিয়া থেকে দেবরাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সম্পত্তির হিসাব নয়ছয়ের অভিযোগে দেবরাজ এবং অদিতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। দুজনেই রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শিশুসন্তানের জন্য অদিতিকে রক্ষাকবচ দিলেও ছাড় পান নি দেবরাজ। অবশেষে গ্রেফতার হন প্ৰাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা ছেড়ে প্রথমে কালিম্পঙে নিজের রিসর্টে গা ঢাকা দেন দেবরাজ চক্রবর্তী। এরপর বারবার ডেরা বদলাতে থাকেন তিনি। কালিম্পং থেকে চলে যান ডুয়ার্সে। সেখানে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আস্তানা গাড়েন ঝা়ড়খণ্ডের মুরিতে বন্ধুর রিসর্টে। পুলিশ সূত্রে দাবি, টাওয়ার লোকেশন এড়াতে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ রেখেছিলেন দেবরাজ চক্রবর্তী। যদিও তাঁকে ধরিয়ে দেয় বন্ধুর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন।
আরও পড়ুন – ‘তেরশো কোটির সম্পত্তি’ দেবরাজের ! কীভাবে ? মুখ খুললেন বিজেপির কৌস্তভ ও তরুণজ্যোতি
কী কী অভিযোগ ?
আয়বহির্ভূত সম্পত্তি, তোলাবাজি এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে অর্থপাচার বা বেআইনি আর্থিক লেনদেনের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে নড়েচড়ে বসেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ভোটের আগে অন্তত ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেনামে এবং আত্মীয়-পরিচিতদের নামে হস্তান্তরিত করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি এবং তাঁর স্বামী। এমনকি, নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তি কম দেখানোর অভিযোগও ওঠে অদিতির বিরুদ্ধে। কলকাতা থেকে দার্জিলিং, তোলাবাজির টাকায় তেরশো কোটির সম্পত্তি তৈরির অভিযোগ।
আরও পড়ুন – রকেট গতিতে রাজনৈতিক উত্থান ! দেবরাজ কীভাবে অভিষেক ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন ? হতবাক সকলে
Ashapur Brinjal GI Tag : আমের পর এবার বেগুনেও বাজিমাত! GI ট্যাগ পেল মালদার আশাপুর বেগুন
