Voice of Eastern India

নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত খারিজ, ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য সরকার


সৌভিক মজুমদার, কলকাতা: প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে অস্বস্তি বাড়ল নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর নির্দেশের তীব্র সমালোচনা প্রধান বিচারপতির। এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, অপরাধমূলক যে আইন রয়েছে, সেই আইনের এই ধরণের অন্তর্বন্তীকালীন রক্ষা কবচের কোনও কনসেপ্ট নেই। কোনও জায়গা নেই। তার মতে কোনও ব্যাক্তি যদি এই ধরণের ঘটনায় গ্রেফতার হয়, তাঁকে জামিনের আবেদন করতে হবে।এবং কোনও ব্যক্তি যদি গ্রেফতারির আশঙ্কা করেন, সেক্ষেত্রে তাঁকে আগাম জামিনের আবেদন করতে হবে। ফলে এই কারণের আবেদন খারিজ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহ এই ষড়যন্ত্রের মাথায় ছিলেন, তদন্তের আওতায় আনা হোক’, জ্ঞানেশ কুমারকাণ্ডে নিশানা রাহুলের

১৯ বছর আগের খেজুরির মামলায় নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত খারিজ হয়। গতকাল এই সিদ্ধান্ত খারিজ করে  হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে এরপর ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর জামিন-মামলার শুনানি চলে হাইকোর্টে।  এদিন প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তুলে বলেন, “সিঙ্গল বেঞ্চ এই নির্দেশ কীভাবে দেয়? বিস্মিত হচ্ছি যে কীভাবে সিঙ্গল বেঞ্চ এই নির্দেশ দিল? কোন আইনের বলে এই সিদ্ধান্ত নিল সিঙ্গল বেঞ্চ? এই ধরনের নির্দেশ একদিনের জন্যও বহাল থাকতে পারে না। কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না..এই ধরনের কোনও অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা চলতে পারে না। কীভাবে এই ধরনের নির্দেশ ছিনিয়ে আনলেন? গ্রেফতার হলে জামিনের আবেদন, আর গ্রেফতার হওয়ার আগে আগাম জামিনের আবেদন, এটাই আইন। ভোটে লড়ছেন বলে বিশেষ কোনও সুবিধা দেওয়া যায় না।  রক্ষাকবচ চেয়ে এই ধরনের মামলা আপনি করতেই পারেন না। মামলা প্রত্যাহার করে নিন”, মিলন প্রধানের আইনজীবীকে পরামর্শ প্রধান বিচারপতির।

১৮ তারিখ গ্রেফতার করা হয় মিলন প্রধানকে

২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম থানায় ৩টি ও খেজুরি থানায় ১টি মামলার প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার, অর্থাৎ ১৮ তারিখ গ্রেফতার করা হয় মিলন প্রধানকে।এরপর, তাঁকে আরও ১টি পুরনো মামলায় শোন অ্য়ারেস্ট করা হয়। আপাতত তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টে কংগ্রেস প্রার্থীর জামিনের আবেদন জানানো হয়। বৃহস্পতিবার তার শুনানিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন,২০০৭ সালের মামলা। ২০২৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর পুলিশের মনে হল যে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা দরকার? সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য আরও বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর আদালত থেকে যে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়, তার নোটিস যে মিলন প্রধান পেয়েছেন, সেই সংক্রান্ত কোনও নথি আদালতে পেশ করতে পারেনি রাজ্য।এরপরই, খেজুরি থানার মামলায় মিলন প্রধানকে গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত খারিজ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.