Voice of Eastern India

Amit Shah: অনুপ্রবেশ ঠেকাতে উত্তরকন্যার বৈঠকে এবার বড় নির্দেশ অমিত শাহর, “অবৈধভাবে যারা অনুপ্রবেশ করেছেন, তাঁদের..”


শিবাশিস মৌলিক, হিন্দোল দে, সুদীপ্ত আচার্য,কলকাতা:  সীমান্ত এলাকায় BSF-কে দ্রুত ফেন্সিংয়ের কাজ শেষ করতে হবে। উপদ্রুত এলাকায় চাই ত্রিস্তরীয় ফেন্সিং।  প্রয়োজনে আরও আধুনিক যন্ত্র আনতে হবে। সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে উত্তরকন্যার বৈঠকে এই সমস্ত নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উঠে এসেছে ‘চিকেন নেক’-এর নিরাপত্তার প্রসঙ্গও। অনুপ্রবেশ ঠেকানো মোদি সরকারের কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগেই এই কথা বারবার বলে এসেছেন বিজেপির নেতারা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, আমরা ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট এই নীতির মাধ্যমে খুঁজে খুঁজে এক একজন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করব। আর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই, এবার রাজ্যে এসে সীমান্তবর্তী নানা সমস্যা নিয়ে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে চিকেনস নেকের পাশাপাশি আলোচনা হল ত্রিস্তরীয় ফেন্সিং নিয়েও। 

আরও পড়ুন, DP থেকে মমতা-অভিষেকের ছবি সরিয়ে এবার ‘বিদ্রোহী’ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, “দিদিকে হাতজোড় করছি, অভিষেককে বাঘের বাচ্চা বানাবেন না..”

চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের ওপর সবসময়ই নজর থাকে চিনের।আবার বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যখন কট্টর ভারত বিরোধিতা শুরু হয়, তখন ছাত্র নেতা থেকে শুরু করে কট্টরপন্থী নেতাদের মুখে শোনা গেছে চিকেনস নেককে আলাদা করার হুমকি।আনসারুল্লা বাংলা টিম প্রধান  জসিমউদ্দিন রহমানি বলেন, আমরা সেভেন সিস্টার্সকে বলে দেব, চিনকে বলে দেব চিকেনস নেক বন্ধ করে দাও। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চিকেনস নেকের নিরাপত্তা বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হয়েছে মোদি সরকারকে। এদিন উত্তরকন্যার বৈঠকে যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সূত্রের খবর,’চিকেনস নেক’কে কেন্দ্র করে পরিকাঠামো বাড়াতে অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন জানিয়েছে SSB, ITBP.

পশ্চিমবঙ্গে বাড়তে পারে সেনা ছাউনির সংখ্যা। সেই ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে বৈঠকে।লেফটেন্যান্ট কর্নেল কৌশিক সরকার বলেন, জায়গাটা শুরু করলেও, ওই জায়গায় আগেই ভাগ করতে পারেনি, এখনও পারবে না। বায়ুসেনার নজরদারি দরকার। উত্তরকন্যায় অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন BSF ও NIA-এর ডিজি, রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজি উত্তরবঙ্গ এবং অন্যান্যরা। ক্ষমতায় এসে ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য BSF-কে বিপুল পরিমাণ জমি হস্তান্তর করেছে বিজেপি সরকার।  সেই ফেন্সিংয়ের কাজ যাতে দ্রুত শেষ করা যায়, এদিনের বৈঠকে সেই বিষয়ের উপরেই জোড় দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতির কথা বলেছেন অমিত শাহ। 
 
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ, সীমান্ত এলাকায় BSF-কে দ্রুত ফেন্সিংয়ের কাজ শেষ করতে হবে।এর জন্য প্রয়োজনে আরও আধুনিক যন্ত্র আনতে হবে।উপদ্রুত এলাকায় চাই ত্রিস্তরীয় ফেন্সিং। অবৈধভাবে যারা অনুপ্রবেশ করেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করতে হবে। তাঁদেরকে চিহ্নিত করে অবিলম্বে ফেরত পাঠাতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কোনও অবৈধ জমায়েত দেখলে পুলিশ এবং BSF যৌথভাবে সেই অবৈধ জমায়েত সরাবে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল কৌশিক সরকার (অবসরপ্রাপ্ত) বলেন, ফেন্সিং সম্পূর্ণভাবে শেষ করা দরকার। সিসিটিভি নজরদারি দরকার। অফেন্সিফ ডিফেন্স সেটাই বড় ডিফেন্স। রিহ্যাব সেন্টার গড়ে তুলতে হবে। 

উত্তরকন্যায় বৈঠকের পাশাপাশি এদিন ফুলবাড়ির জুমাগছে BSF-এর উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ক্যাম্পে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অমিত শাহ লিখেছেন, শিলিগুড়ি করিডর, যা পূর্ববর্তী সরকারগুলোর আমলে অনুপ্রবেশের করিডোরে পরিণত হয়েছিল। এখন একটি সুরক্ষিত সীমান্তের সমার্থক হয়ে উঠছে। মোদি সরকার শুধু সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারের সংখ্যাই বাড়ায়নি, বরং সেগুলোকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করে সীমান্ত নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী ও দুর্ভেদ্য করে তুলেছে। সীমান্তবর্তী সমস্যা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এদিন রাজ্যে BNS-এ প্রয়োগ ও গুন্ডাদমন আইনের বাস্তবায়ন নিয়েও বৈঠক করেন অমিত শাহ

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.