কলকাতা: বেতনভোগী কর্মীরা যখন আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করতে যাবেন, সেই সময় ফর্ম ১৬ জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। আয়কর আইন, ১৯৬১-এর ২০৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী নিয়োগকর্তারা এই নথি দিয়ে থাকেন। এতে সংশ্লিষ্ট আর্থিক বছরে কর্মীর প্রাপ্ত বেতন এবং ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স বা TDS-এর তথ্য উল্লেখ থাকে। তবে ফর্ম ১৬ না থাকলেও আয়কর রিটার্ন ফাইল করা কিন্তু সম্ভব।
আরও পড়ুন: চাকরি বদলেছেন, নিজের প্রভিডেন্ট ফান্ডে থাকা টাকা কীভাবে ট্রান্সফার করবেন?
চাকরি পরিবর্তন, সংস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়া, আপনি যে সংস্থায় চাকরি করেন, সেই সংস্থার দেরিতে ফর্ম ১৬ দেওয়া বা চাকরি ছাড়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ার মতো নানা কারণে অনেক কর্মী এই নথি সময়মতো পান না। এমন পরিস্থিতিতে স্যালারি স্লিপ, ফর্ম ২৬এএস, অ্যানুয়াল ইনফরমেশন স্টেটমেন্ট বা AIS, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত নথির সাহায্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যায়।
ফর্ম ১৬ ছাড়া আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রথম ধাপ হল প্রয়োজনীয় সমস্ত আর্থিক নথি সংগ্রহ করা। স্যালারি স্লিপের মাধ্যমে মোট বেতনের হিসাব করা যায়, আর ফর্ম ২৬এএস থেকে PAN নম্বরের ভিত্তিতে জমা হওয়া TDS-এর তথ্য জানা যায়। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট থেকে সুদের আয়ের হিসাবও করতে হবে।
আরও পড়ুন: মাসে মাত্র ১০ হাজার টাকার বিনিয়োগ, তাতেই ১০ কোটি টাকার তহবিল! কীভাবে হবে, জেনে নিন অঙ্কটা
এরপর মূল বেতন, HRA, LTA, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা যোগ করে মোট আয় নির্ধারণ করতে হবে। তারপর প্রযোজ্য কর ছাড় এবং ছাড়ের সুবিধা দাবি করতে হবে। এর মধ্যে ৮০সি, ৮০ডি, ৮০ই এবং ৮০টিটিএ ধারার অধীনে বিভিন্ন বিনিয়োগ ও খরচের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
সব ধরনের ছাড় প্রয়োগ করার পর করযোগ্য আয় নির্ধারণ করতে হবে এবং ফর্ম ২৬এএস-এর সঙ্গে TDS-এর তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে। যদি অতিরিক্ত কর বাকি থাকে, তাহলে ই-ফাইলিং পোর্টালে চালান ২৮০-এর মাধ্যমে তা জমা করা যাবে।
এরপর উপযুক্ত আয়কর রিটার্ন ফর্ম, যেমন ITR-1 বা ITR-2 নির্বাচন করে সমস্ত আয় ও কর ছাড়ের তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে হবে। শেষ ধাপে আধার OTP, নেট ব্যাঙ্কিং অথবা স্বাক্ষর করা ITR-V বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রালাইজড প্রসেসিং সেন্টারে পাঠিয়ে ই-ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করতে হবে।
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী
