Voice of Eastern India

Mamata Banerjee: মমতা-অভিষেকের বাড়ির সামনে মোতায়েন বাড়তি পুলিশ, ‘বারুইপুর যাওয়া রুখতেই…’ অভিযোগ দোলা সেনের


কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়ির সামনে মোতায়েন বাড়তি পুলিশ। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ ‘কালীঘাট-তৃণমূল’। গোটা ঘটনার প্রতিবাদ করে, দোলা সেন অভিযোগ করেছেন, বারুইপুরে নাবালিকার যে দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু হয়েছে, সেখানেই যাবেন ভেবেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দোলা সেনের আরও অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারুইপুর যাওয়া থেকে আটকানোর জন্যই এই ধরণের বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে। 

কী ঘটেছে বারুইপুরে?

নাবালিকার দেহ উদ্ধার ঘিরে আজ অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে বারুইপুর। মৃতদেহ রাস্তায় ফেলে চলল বিক্ষোভ। খুনে অভিযুক্ত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নাবালিকাকে খুনের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে SIT গঠন করা হয়েছে। ১২ বছরের নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রবিবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর। রাস্তায় মৃতদেহ রেখে, গাছের গুড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে চলল টানা বিক্ষোভ। ক্ষোভ সামলাতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশও। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার বিকেলে। নিহতের পরিবারের দাবি, জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরোয় নাবালিকা। অভিযোগ, এর পর আর তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে, ক্লাস সিক্সের এই ছাত্রীর সঙ্গে এলাকারই কয়েকজন যুবককে দেখতে পান নাবালিকার পরিবার ও স্থানীয়রা। একজনকে ধরেও ফেলেন। অভিযোগ, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই নাবালিকার মৃতদেহের খোঁজ মেলে। রবিবার সকালে একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। নাবালিকার দেহ রাস্তায় রেখে শুরু হয় বিক্ষোভ। 

মমতার বাড়ির সামনে ‘বাড়তি পুলিশ’, বিস্ফোরক দোলা সেন

এদিন দোলা সেন অভিযোগ করেন, আপনারা জানেন, আমরা এক ঘণ্টা আগে বেরিয়েছি। আমি, শোভনদেবদা ছিলাম, অভিষেকও ছিলেন। বারুইপুরের এত বড় ঘটনা, আমি বললাম ধীমানদার এলাকা, নিশ্চয়ই তিনি যাবেন। এবার দিদির মতো একজন জননেত্রী, ৭ বারের MP, ৬ বারের কেন্দ্রের মন্ত্রী, ৩ বারের মুখ্যমন্ত্রী, তিনি জননেত্রী, মা মাটি মানুষের নেত্রী.. এরকম ঘটনা ঘটলে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়াবেন সেটাই তো স্বাভাবিক। বারুইপুরের মানুষ আজ সারাদিন উত্তেজিত ছিলেন। দিদি ভেবেছেন, তিনি সেখানে যাবেন, এটাই তাঁর অপরাধ। মনে হচ্ছে, এমার্জেন্সি, জরুরি অবস্থা। প্রশাসন যদি এরকম ভয় পেয়ে যায়,  এরকম একটা পরিস্থিতি তৈরি করে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন নেত্রীকে রোখা যায়? এভাবে নজরবন্দি বা হাউজ অ্যারেস্ট করে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকাতে পারবেন?

 

আরও পড়ুন: Sebaashray Controversy: রোগ শুনে মোবাইল দেখে প্রেসক্রিপশন লিখে দিতেন সেবাশ্রয়ের চিকিৎসক! ভয়ঙ্কর অভিযোগ

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.