Voice of Eastern India

SRFTI-এর সামনে ফের উত্তেজনা, হাতে গেরুয়া পতাকা, ব্যারিকেড ভাঙল ‘বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’


কলকাতা: ফের ধুন্ধুমার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সামনে। বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। এমনকি গেত ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টাও করেন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। উল্লেখ্য, গত রবিবার SRFTI-তে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠানে নাকি হামলা চালানো হয়। আর তারই প্রতিবাদে এবার বিক্ষোভ বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।

আরও পড়ুন: ১২ দিন বাকি, কৃষ্ণনবমীতেই শুরু চাঁচল রাজবাড়ির পুজো! ৩৭৫ বছরের ঐতিহ্যে আজও অমলিন পাহাড়পুরে

ব্যারিকেড লাগিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিল পুলিশ। কিন্তু সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা সেই ব্যারিকেড সরিয়ে দেয়। জনস্রোত এসে আছড়ে পরে SRFTI-এর গেটের উপর। গেট ধরে ঝাঁকাতে থাকে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। কোনওক্রমে সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে দেখা যায় কলকাতা পুলিশকে। এমনকি বোতল ছোড়ার ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়।           

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের এই বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি বলেন, “আগের দিন ভারতমাতার বুকে এই বামপন্থী, অতি বাম, দেশদ্রোহীরা লাঠি মেরেছে। শুধু ভারতমাতা নয়, বিবেকানন্দের বুকে লাথি মেরেছে। আজ আমাদের পদক্ষেপ, আমরা রাষ্ট্রবাদীরা বুঝিয়ে দিলাম আমাদের শক্তিটা কতটা। এটা সাধারণ মানুষের ক্ষোভ।”

পুলিশের কাছের আগে থেকেই খবর ছিল যে যে মিছিল অজয় নগর থেকে শুরু হচ্ছে, সেই মিছিল এসে পৌঁছবে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সামনে। সেই মিছিল এসে পৌঁছতেই শুরু হয় ধুন্ধুমার। ধরপাকড় করতে থাকে পুলিশ। এই বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত থাকা এক ব্যক্তিকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, “এই সব পুলিশ সাসপেন্ড হবে। পুলিশ অতি সক্রিয়। পুলিশ উল্টে আমাদের মারছে। ২৪ ঘণ্টার ভিতরে সব সাসপেন্ড হবে।”           

আরও পড়ুন: এসআইআর নিয়ে মহারাষ্ট্রে বিরাট বিক্ষোভ মিছিল, আরও কাছাকাছি উদ্ধব – রাজ, ভোটে ব্যালট ফেরানোর দাবি

হিন্দু জাগরণ মঞ্চের এক ‘কার্যকর্তা’ বলেন, “আমাদের আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। সাধারণ মানুষ ভারত মাতার অপমানের প্রতিশোধ নিচ্ছে। এতে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কোনও দায় নেই। আমরা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কার্যকর্তা। স্বতঃস্ফূর্ত, নিরস্ত্র আন্দোলনে সংবিধান মেনে আন্দোলন করতে এসেছি।”

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.