Voice of Eastern India

Swarup Biswas : ‘শ্লীলতাহানি করেননি স্বরূপ বিশ্বাস’ ! মামলা প্রত্যাহার অভিযোগকারিণীর, কী জানালেন ভিডিও বার্তায় ?


কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতার কুকীর্তির চিত্র প্রকাশ্যে এনেছেন অনেকেই। সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা স্বরূপ বিশ্বাস। বিভিন্ন মামলার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে। এর মধ্যে এমন একটি তথ্য সামনে এসেছে, যা নিয়ে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে টলিউডের অন্দরমহল। স্বরূপ বিশ্বাসের উপর করা শ্লীলতাহানির অভিযোগ আচমকাই প্রত্যাহার করে নিলেন অভিযোগকারিণী। 

মহিলা মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে অশালীন আচরণ, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁর বিরুদ্ধে, BNS-এর ৩০৮-এর ৪ ও ৫ ধারা অর্থাৎ তোলাবাজি সংক্রান্ত অপরাধ, ১০৯ নম্বর ধারায় খুনের চেষ্টা, ৩৫১(৩) অর্থাৎ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, ৬১ নম্বর ধারা অর্থাৎ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত ধারা ও ২৫/২৭ অস্ত্র আইনে মামলা হয়। কিন্তু শনিবার স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেও তা প্রত্যাহারের ঘোষণা করলেন অভিযোগকারী মেকআপ আর্টিস্ট। 

আরও পড়ুন – ‘কম্প্রোমাইজ করো, মেয়ে সাপ্লাই দাও…’, স্বরূপ বিশ্বাসের ‘স্বরূপ’ ফাঁস করলেন অভিযোগকারিণী

তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন তিনি। অভিযোগকারিণী জানান, ‘স্বরূপকে চিনতামই না, আমাকে দিয়ে জোর করে অভিযোগ করানো হয়,’ ‘আমি অভিযোগপত্রে শ্লীলতাহানির কথাই লিখিনি’, ‘কিছু মানুষের প্ররোচনায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলাম।’ ‘স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি।’ সোশাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করে এমনটা দাবি করেন অভিযোগকারিণী। 

কী জানিয়েছেন অভিযোগকারিণী ?

সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিযোগকারিণী জানান, ”স্বরূপ বিশ্বাস আমার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হলেন। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আজকে আমার যার সঙ্গে বিবাদ ছিল, বাপি মালাকার, আমাদের গিল্ড সেক্রেটারি এবং শান্তনু দে, এই ২ জনকে নিয়ে আমার ঝগড়া, অশান্তি, বিবাদ এদের দুজনের সঙ্গে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে স্বরূপ বিশ্বাস এখানে কি করে চলে এলো আমি জানিনা। এবং কিছু মানুষের মিথ্যে প্ররোচনায়, মিথ্যে অভিযোগে, যেটা দিতে বলা হয়েছিল আমাকে। যেখানে আমি ওদের কথায় নেচে, কথা শুনে এসব কথাগুলো বলেছিলাম। আমি আমার অভিযোগপত্রে কোথাও বলিনি যে স্বরূপ বিশ্বাস আমায় শ্রীলতাহানি করেছেন। এবং উনি আমায় ডেকে বা ফোনের মধ্যে শ্রীলতাহানি করেছেন এমনটা অভিযোগপত্রে লিখিনি। যে অভিযোগপত্রটি লেখা হয়েছে সেটা কিন্তু আমার না। এবং এই অভিযোগপত্রে সইটা আমায় জোর করে করিয়েছে। আমার যে সব জবানবন্দি, সেগুলো স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে নয়। আমার শত্রু নন। স্বরূপ দা কিন্তু আমায় শ্রীলতাহানি করেনি। যেটা করেনি সেটা নিয়ে কেন বলব। না উনি আমায় চেনেন, না আমি উনাকে চিনি। এই জবানবন্দিটা আমি নিউ আলিপুর থানায় দিইনি। তারপরও কেন উনি গ্রেফতার হলেন তা আমি জানিনা। ভয় আউট, ভরসা ইন, তাদের কথা শুনে আমি নিউ আলিপুর থানায় গিয়ে জবানবন্দি দিয়ে এলাম। তারপর রাত ৯ টায় কীভাবে গ্রেফতার হলেন। আমার মূল বিষয়টি স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে নয়। আমার অভিযোগটি ছিল বাপি মালাকার ও শান্তনু দে-কে নিয়ে। আমি সেখানে বলেছিলাম, আমায় ভয় দেখাতে এসেছিল, গুলি করতে এসেছিল, এটুকুই বলেছি।” তিনি আরও জানান, ”আমি ১৫ বছর ধরে এই ইন্ডাট্রিতে আছি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ তেমন শুনিনি। কিন্তু এমন দেখান হলো যে আমার অভিযোগের জন্য স্বরূপ বিশ্বাসকে জেল খাটতে হল। বিশ্বাস করুন এটা ঠিক না।” 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.